Home / বাংলা টিপস / যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না

যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না

গ্যাস্ট্রিক (acidity), যা সংক্রামক ডায়রিয়া নামেও পরিচিত, এটি “গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের” প্রদাহ যা পাকস্থলী এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের সাথে জড়িত। গ্যাস্ট্রিকের (acidity) লক্ষণগু’লির মধ্যে ডায়রিয়া, বমি ও পেটে ব্য’থা থাকতে পারে। এমনকি জ্বর, শ’ক্তির অভাব এবং পানিশূন্যতা ঘটতে পারে। এটি সাধারণত দুই সপ্তাহের কম সময় থাকে। এটি “পাকস্থলীর ফ্লু” নামে অভিহিত হলেও এটি ইনফ্লুয়েঞ্জার সাথে সম্প’র্কিত নয়।গ্যাস্ট্রিক ভাই’রাস, ব্যাকটেরিয়া, পরজীবী এবং ছত্রাকের দ্বারা সং’ক্র’মণের কারণ হতে পারে। তবে সাধারণত ভাই’রাসের মাধ্যমেই গ্যাস্ট্রিকের (acidity) সং’ক্র’মণ হয় । শি’শুদের মধ্যে রোটা ভাই’রাসটি গু’রুতর সব রো’গের কারণ। প্রা’প্তব’য়স্কদের রো’গের কারণ হিসেবে নোরোভিরাস এবং ক্যাম্পাইলোব্যাক্টারকেই দায়ী করা হয়। অস্বাস্থ্যকর খাবার (food) খাওয়া, দূষিত পানি পান করা বা সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে ভাই’রাস শ’রীরে প্রবেশ করতে পারে। সাধারণত রো’গ নির্ণয় করার জন্য কোন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। গ্যাস্ট্রিকের (acidity) প্রতিরোধের মধ্যে সাবান দিয়ে হাত ধৌত করা,

নিরাপদ পানি পান করা, মানুষের বর্জ্যের সঠিক নিষ্পত্তি এবং শি’শুদের বুকের দু’ধ খাওয়ানো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। শি’শুদের ক্ষেত্রে রোটো ভাই’রাসের ভ্যাক্সিন ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়। জল, লবণ, এবং চিনির সংমিশ্রণ খাওয়ানোর মাধ্যমে পানিশূন্যতার অভাব দূর করানো হয়। যেসব শি’শু বুকের দু’ধ খাওয়া ছাড়েনি, তাদেরকে বুকের দু’ধ খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। আরো গু’রুতর ক্ষেত্রে, অন্ত্রে ফ্লুইডের প্রয়োজন হতে পারে। ফ্লুইডস একটি ন্যাশোগ্যাস্ট্রিক (acidity) নল দ্বারাও দেওয়া যেতে পারে। সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয় না। যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের (acidity) সমস্যা থাকবে না যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের (acidity) সমস্যা থাকবে না!. আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে না। এই সমস্যাটি মূ’লত ভাজাপোড়া খাবার (food) খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এ সব খাবার (food) খাওয়ার পরে পেট ব্য’থা বা বুকে ব্য’থা কিংবা বদ হজম হয়।. অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ও’ষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে। ১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন। তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম পানি খান। গভীর রাতে আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না। ২। এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন। পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক (acidity)দৌঁড়ে পালাবে। পাওয়ার ৩০ এবং টার্গেট ট্যাবলেট ২টার মধ্যে কোনটা দিয়ে বেশিসময় যৌ*aনমি’লন করা যাবে?

প্রশ্ন: পাওয়ার ৩০ এবং টার্গেট ট্যাবলেট ২টার মধ্যে কোনটা দিয়ে বেশিসময় যৌ*aনমি’লন করা যাবে? উত্তর: পাওয়ার ৩০, এই মেডিসিনটা ভাল হবে,আর একটু বেশি কাজ করবে। বি:দ্র: ২টা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সমান। প্রশ্ন: পেটে বাচ্চা না আসলে কি করবো কিভাবে গ’র্ভধারণ করে মা হওয়া যায় ?জেনে নিন গ’র্ভধারনের খুঁটিনাটি – পর্ব ১ম’হিলাদের জন্য গ’র্ভধারণ একটি শিহরণ জাগানো ঘ’টনা। যদিও কারো কারো সাথে কথা বললে মনে হবে এটি একটি সাধারন ব্যাপার। আবার কারো মতে গ’র্ভধারণ ধৈ’র্য ও ভাগ্যের ব্যাপারও বটে। পরিপূর্ণ বয়োঃপ্রা’প্তি হলেই গ’র্ভধারণ সহজ হয় তবে কিছু কিছু বি’ষয় অবশ্য মাথায় রাখা দরকার যেমন স্বাভাবিক ওজন, স্বাস্থ্যসম্মত বা সূষম খাবার আর মাসিকের পর উপযুক্ত সময়টুকুতে নিয়মিত যৌ*aনমি’লন। এর সাথে কারো যদি ধুমপান বা ম’দপানের অভ্যাস থাকে তা অবশ্যই পরিহার করতে হবে। আর পুরু’ষের ক্ষেত্রে অতি অবশ্যই সুস্থ, সবল এবং যথেষ্ট পরিমান শুক্রানু থাকতে হবে। বেশিরভাগ সুস্থ ও স’ক্ষম দম্পতি বিয়ের এক বছরের মধ্যেই স’ন্তান নিতে পারেন। যদি ই’চ্ছা থাকা সত্বেও কোন দম্পতির সমস্যা দেখা দেয় তবে একা নয় উভ’য়কেই একসাথে কোন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। অক্ষ’মতা স্বা’মী-স্ত্রী উভ’য়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে। আজকাল চিকিৎসা অবশ্য সহজ ও হাতের নাগালেই পাওয়া যায়।সুস্থ ও স্বাভাবিক গ’র্ভধারণের জন্য দম্পতির স্বাস্থ্যও সুস্থ হওয়া আবশ্যক। কারন সুস্থ দম্পতি সুস্থ শি’শুর জ’ন্ম দিতে পারেন। গ’র্ভধারণের শুরু থেকেই সুস্থ থাকার নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। যেমন যথাসময়ে টীকা নেয়া, ভাল খাবার অর্থাৎ সূষম খাবার খাওয়া, প্রয়োজনীয় ভিটামিন গ্রহন আর নিয়মিত ও যথাযথ ব্যায়াম তো আছেই। যদি গু’রুতর কিংবা দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে তবে দ্রু’ত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং সেটা গ’র্ভধারণের পূর্বে ও গ’র্ভধারণকালিন উভ’য় সময়েই। এখানে ব’য়সও একটা বি’ষয়। সাধারনতঃ ৩৫ বছরের বেশি হলে কিছু কিছু জটিলতা দেখা দিতে পারে।

মনে রাখবেন, আপনার যত্ন নেয়া মানেই আপনার বাচ্চার (baby) যত্ন নেয়া। জেনে নিন গ’র্ভধারণ লক্ষণসমূহঃ যারা প্রথমবারের মত গ’র্ভধারণ করেছেন তাদের জন্য একটু চমক লাগবে বৈ কি। তবে মাসের পর মাস যারা অপেক্ষায় ছিলেন তাদের জন্য এটা হতে পারে একটা বিস্ময়। গ’র্ভাবস্থার প্রথমে ক্লান্তি বা অবসাদ, স্ত’ন ব্য’থা, অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। হঠাৎ অ’সুস্থ বোধ করা আর মাসিক বন্ধ হওয়া তো আছেই। তবে সব চেয়ে সহজ উপায় হল ঘরে বসেই Pregnancy Test করিয়ে নেয়া Pregnancy Test যদি ‘হ্যাঁ’ হয় তাহলে অতিসত্বর আপনার নিকটস্থ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে যান। যথাযথ পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে স্বাস্থ্যসেবা চার্ট অনুসরন করুন আর জেনে নিন প্রসবের সম্ভাব্য তারিখ।পর্যায়ক্রমিক করনীয় যখন আপনি নিশ্চিত হলেন আপনি গ’র্ভধারণ করেছেন, তখন থেকেই পুরো গ’র্ভধারণকালিন সময়টাকে সপ্তাহ ভিত্তিতে ভাগ করে পরিকল্পনা করতে হবে। প্রতিদিনই আপনার কাছে নতুন মনে হবে। কি করতে হবে না করতে হবে, কি করা উচিত-এ প্রশ্নগুলো আসবে। যেমন কি খাওয়া উচিত, ব্যায়াম করা যাবে কি না, কি কি ধরনের পরীক্ষা-নীরিক্ষা করাতে হবে ইত্যাদি। আরো আছে যেমন শ’রীরের ওজন কতটুকু বাড়বে, প্রসবপূর্ব বেদনা কিভাবে লাঘব করা যায়, সম্পূর্ন বিশ্রাম করতে হবে কি না আরো কত কি। যত প্রশ্নই মনে আসুক না কেন আপনি যদি সাপ্তাহিক ভিত্তিতে পরিকল্পনা করে এগোতে থাকেন তাহলে আপনার গ’র্ভধারণকালিন সময়টা সহজে আর আরামে পার করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে জানতে হবে কি করতে হবে না করতে হবে, অন্যান্য গ’র্ভধারণকালিন জটিলতা ও ছোট-খাট দৈনন্দিন করনীয়সমূহ। যেমন ব্যায়াম থেকে শুরু করে ব্যাক পেইন, যৌ.নমি’লন ইত্যাদি। গ’র্ভধারণ কালিন সময়টাকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করে পরিকল্পনা করতে হবে। গ’র্ভধারণের প্রথম পর্যায়ে যেমন খুব দ্রু’ত ভ্রুন বাড়তে থাকে তেমনি গ’র্ভবতী মায়ের শ’রীরেও ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়। শ’রীরের পরিবর্তনগুলোর মধ্যে আছে স্ত’নের আকার পরিবর্তন ও অস্বস্তি, দূর্বলতা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি। উদবেগ-উৎকন্ঠা বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি। এই সময়ে বাচ্চার মস্তিষ্ক, মেরুদন্ড এবং অন্যান্য অংগ-প্রত্যাংগের গঠন শুরু হয়, হৃদপিন্ডের কার্যক্রম শুরু হয় আর বাচ্চার (baby)হাত-পায়ের আংগুলেরও আকার নিতে থাকে। গ’র্ভের চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ মাস – দ্বিতীয় পর্যায়। এই সময়টাতে আপনি প্রথম পর্যায়ের চাইতে অনেক ইজি বোধ

করবেন। এ পর্যায়ে বাচ্চা (baby) মো’টামুটি একটা পরিপূর্ন বাচ্চার মত মনে হবে। আর গ’র্ভবতি মায়ের শ’রীরের পরিবর্তনের মধ্যে আছে ত্বকের পরিবর্তন, পেট অনেক বড় হয়ে ওঠা, স্ত’নের আকার আরো বড় হওয়া ইত্যাদি। আর বাচ্চার ক্ষেত্রে নড়াচড়া করা, বাইরের শব্দ শুনতে পাওয়া ইত্যাদি সক্ষ’মতা তৈরী হয়। এই সময় আপনাকে নিয়মিত আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। আপনার মনের যে কোন প্রশ্নের উত্তর তার কাছ থেকে জেনে নিন। পড়ুন পুরু’ষের লি*ঙ্গে মধু দিলে লি*ঙ্গ শ’ক্ত হয় কেন? শেষের তিন মাস তৃতীয় পর্যায় যা শা’রীরিক ও মা’নসিকভাবে অত্যান্ত চ্যালেঞ্জিং। পৃষ্ঠদেশ, এঙ্কেল এর ব্য’থা বেড়ে যেতে পারে, দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে। আর বাচ্চা তার চোখ খুলতে পারে, নড়াচড়া অনেক বেড়ে যায়। ৩৭ সপ্তাহ শেষে মানব শি’শু পরিপূর্ন রুপ নেয়। এই সময়ে ঘন ঘন ডাক্তারের কাছে যাওয়া, বাচ্চার (baby) য অবস্থান জেনে নেয়া বেশ জরুরী। গ’র্ভধারণ কালিন জটিলতাসমূহ ঃ গ’র্ভধারণ কালিন সময়ে বাচ্চার (baby) যস্বাস্থ্য প্রাধান্য পায় তুলনামূ’লক একটু বেশি। সেক্ষেত্রে মায়ের যদি কোন জটিল রো’গ বা ইন্যান্য জটিলতা থাকে যেমন ডায়াবেটিস, এপিলেপসি বা কোন মা’নসিক রো’গ বা হতাশা, গ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিসজনিত জটিলতা, তাহলে জেনে নিন এসব ক্ষেত্রে কি করণীয়। কারন সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শমত কাজ না করলে বা মেনে না চললে গ’র্ভপাত হতে পারে বা বাচ্চার (baby) য ক্ষ’তি হতে পারে।

মনে রাখবেন সুস্থ শি’শুর জ’ন্ম সুস্থ মায়ের উপর নির্ভরশীল। জেনে নিন গ’র্ভধারনের খুঁটিনাটি – পর্ব ২জরায়ুতে ভ্রুন স্থাপনকালীন র’ক্তপাত সাধারনত গ’র্ভধারনের ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সচারচর র’ক্তপাত হতে দেখা যায়। এটি সম্পূর্ন স্বাভাবিক। নিষিক্ত ডিম্বানুটি জরায়ুতে প্রতিস্থাপনকালীন এই র’ক্তপাত ঘটে। স্বল্পেস্থায়ী এই র’ক্তপাত মাসিককালীন র’ক্তপাতের চাইতে হালকা ১/২ দিনব্যাপি মাসিক র’ক্তপাতের মতই হয়ে থাকে। কারো কারো ক্ষেত্রে এই র’ক্তপাত নাও হতে পারে আবার কেউ কেউ খেয়ালও করেন না। অনেক সময় মাসিক ভেবে অনেকে ভু’ল করেন। এমনটি হলে বাচ্চা (baby) য প্রসবের সঠিক সময় নির্ধারনে ভু’ল হতে পারে। জরায়ুতে ভ্রুন স্থাপনকালীন র’ক্তপাত আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায় এবং এর জন্য চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে র’ক্তপাত যদি দীর্ঘসময়ব্যাপি হয় এবং যদি মনে হয় এটি জরায়ু কিংবা যো’নী সংক্রান্ত কোন র’ক্তপাত, তাহলে কালবিলম্ব না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্লাসেন্টা বা অমরা বা গ’র্ভফুল ঃ পুরো গ’র্ভকালীন সময় জুড়ে গ’র্ভফুল গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে। ভ্রুনের সাথে মাতৃদে’হের সংযোগ স্থাপনকারি জরায়ুর এই গ’র্ভফুল মায়ের দে’হ থেকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও অন্যান্য পুষ্টি শি’শুর দে’হে সরবরাহ করে এবং শি’শুর র’ক্তের অপ্রয়োজনীয় অংশ সরিয়ে নেয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গ’র্ভফুল জরায়ুর উপরের অংশে কিংবা পার্শ্বে স্থাপিত থাকে। বিভিন্ন কারনে এই গ’র্ভফুলে সমস্যা দেখা দিতে

পারে। কোনটি স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসা সম্ভব আবার কোন কোন ক্ষেত্রে সম্ভবপর হয় না। যার মধ্যে মায়ের ব’য়স। সাধারনত ৪০ বছরের অধিক ব’য়সে গ’র্ভধারনের ক্ষেত্রে এধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোন কারনে বাচ্চার (baby) য থলি বা amniotic sac এর গাত্রে ছিদ্র হলে বা প্রসবের পূর্বে ভেংগে গেলে গ’র্ভফুলের ক্ষ’তি হতে পারে। উচ্চ র’ক্তচা’প জনিত কারনেও ক্ষ’তি হতে পারে। আবার জমজ বা একাধিক বাচ্চা (baby) য ধারনেও গ’র্ভফুল ক্ষ’তিগ্রস্থ হওয়ার ঝুঁ’কি বাড়ে। যেসব মায়ের শ’রীরে র’ক্ত জমাট বাঁ’ধার প্রবনতা থাকে তাদের ক্ষেত্রে গ’র্ভফুলের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এগুলো ছাড়া আরো যেসব কারনে গ’র্ভফুলে সমস্যা বা ক্ষ’তিগ্রস্থ হতে পারে তার মধ্যে আছে পূর্বে যদি জরায়ুর অপারেশন হয়ে থাকে, আগের গ’র্ভধারনের ক্ষেত্রে যদি গ’র্ভফুলের সমস্যা হয়ে থাকে, গ’র্ভবতি মা যদি গ’র্ভকালীন সময়ে ধুমপান, নে’শাদ্রব্য সেবন করে থাকে, পেটের কোন আ’ঘাত ইত্যাদি কারনে গ’র্ভফুলে ছিদ্র, ভেংগে যাওয়া, ইনফেকশন হতে পারে।গ’র্ভফুলের সমস্যাগুলোকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যেমনঃ placenta previa এবং placenta accreta. আর এই দুই ক্ষেত্রেই প্রচুর র’ক্তপাত হতে পারে এবং আগেভাগেই ডেলিভারী বা সিজারিয়ান

অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে।যদি যো’নীপথে র’ক্তপাত, পেটে ব্যাথা, অসহ্য পিঠে ব্যাথা, ঘন ঘন প্রসাব হওয়া ইত্যাদি লক্ষন দেখা দেয়, তবে দেরী না করে অতি সত্ত্বর ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহন করুন।গ’র্ভধারণ হলে বমি বা বমিভাব ঃবমি বা বমিভাব সাধারনত গ’র্ভধারনের প্রথম তিনমাসে দেখা দিতে পারে। এগুলোকে অবশ্য morning sickness বলে যা স্বাস্থ্যকর গ’র্ভধারনের লক্ষন হিসাবে বিবেচিত। নিষিক্ত ডিম্বানু জরায়ুতে স্থাপিত হওয়ার পর পরই মাতৃদে’হে Human Chorionic Gonadotropin (HCG) নামক হরমোন নিঃসরন হতে থাকে। যা কিনা গ’র্ভধারনের জন্য অপরিহার্য এবং এর প্রভাবেই বমি বা বমিভাব দেখা দেয়।এছাড়া বমি বা বমিভাবের অন্যান্য মতগুলো হচ্ছে ভ্রুন বা শি’শুর দে’হ কর্তৃক খাবার ক্ষ’তিকর বস্তু/অংশ ফিরিয়ে দেয়ার প্রভাব, বিশেষ বিশেষ খাবার বা এর উপাদান গ্রহনে উদবুদ্ধ করা যা শি’শুর দে’হের জন্য অপরিহার্য, শি’শুর ও গ’র্ভবতি মায়ের দে’হের নতুন নতুন কোষ-কলা তৈরীর বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সাথে দে’হকে খাপ খাইয়ে নেয়া ইত্যাদি।এসব সবার ক্ষেত্রে নাও ঘটতে পারে। আর এসব লক্ষন দেখা না দিলে উদবিগ্ন হওয়ার কিছু নাই। তবে অতিরিক্ত বমি বা বমিভাব অনেক সময় কোন জটিল সমস্যার লক্ষন বলে বিবেচিত হতে পারে।

অতএব দেরী না করে ডাক্তারের কাছে যান।গ’র্ভাবস্থায় খাবারদাবারঃ অপরিহার্য পুষ্টিসমূহগ’র্ভধারণ অবস্থায় স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহন আপনার শি’শুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য অপরিহার্য। এজন্য আপনাকে জানতে হবে কোন কোন খাবার-পুষ্টি আপনাকে বেশি বেশি গ্রহন করতে হবে এবং কোথায় সেগুলো পাওয়া যাবে। তবে মনে রাখতে হবে এমন কোন ম্যাজিক ফরমুলা নেই যাতে করে আপনার পুষ্টির সকল চা’হিদা একসংগে মিটবে। আসলে গ’র্ভাবস্থার খাবার বলে আলাদা কিছু নাই। খেতে হবে পরিমানে একটু বেশি করে আর খাবারের প্রতি অতি অবশ্যই মনযোগী হতে হবে।জেনে নিন কোন কোন খাবারের প্রতি বেশি বেশি গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।Folate and Folic Acid – জ’ন্মগত ত্রুটি বা খুঁত রোধ করে।Folate হল ভিটামিন ‘বি’ যা কি না স্নায়ুনালীর ত্রুটি, মস্তিষ্কের কিংবা স্পাইনাল কর্ডের কোন মা’রাত্মক ত্রুটি রোধে সহায়ক। গ’র্ভাবস্থার খাবারে যথাযথ পরিমানে Folate এর অভাবে বাচ্চা (baby) যকম ওজনের হতে পারে, নির্ধারিত সময়ের আগেই জ’ন্ম নিতে পারে। খাদ্য এবং সম্পুরক খাদ্যে Folate এর সংশ্লেষিত রুপই Folic Acid.কতটুকু খাবেন – গ’র্ভবতী হওয়ার আগে থেকে এবং গ’র্ভধারণ অবস্থায় প্রতিদিন ৮০০ মাইক্রো’গ্রাম করে Folate বা Folic Acid সম্মৃদ্ধ খাবার খাবেন।কোথায় পাবেন – দানাদার শস্যজাতীয় তৈরী খাবার, সবুজ শাক-সবজী, লেবু ও লেবু জাতীয় ফল, শীম, মটরশুঁটি এগুলো Folate সম্মৃদ্ধ খাবারের প্রাকৃতিক উৎস।বলা হয়ে থাকে সুস্থ গ’র্ভধারনের প্রয়োজনে এবং বাচ্চার (baby) যকোন জ’ন্মত্রুটি রোধে গ’র্ভধারনের প্রায় তিন মাস আগে থেকেই এসব খাবার গ্রহন করা উচিত।

ক্যালসিয়াম – হাড়কে করে শ’ক্তিশালীআপনার এবং আপনার অনাগত বাচ্চার (baby) হাড় ও দাঁতের শ’ক্ত গড়নের জন্য ক্যালসিয়াম দরকার। এছাড়া র’ক্ত চলাচল, পেশিগঠন ও স্নায়ুবিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্যও ক্যালসিয়ামের প্রয়োজন।কতটুকু খাবেন – প্রতিদিন ১,০০০ মিলিগ্রাম আর গ’র্ভবতী মা যদি কি’শোরী হন তবে ১,৩০০ মিলিগ্রাম/প্রতিদিন।কোথায় পাবেন – দু’ধ এবং দুগ্ধজাত খাবার ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস। আরো আছে কিছু কিছু ফল ও ফলের রস এবং সকালের নাস্তার শস্যজাতীয় খাবার।ভিটামিন ডিঅনাগত বাচ্চার দাঁত, হাড়ের শ’ক্তি ও পরিপূর্নতার জন্য খুবই উপকারী। প্রতিদিন প্রায় ৬০০IU করে প্রয়োজন। চর্বিযুক্ত মাছ ভিটামিন ডি’র অন্যতম উৎস। এছাড়া দুগ্ধজাত খাবার ও কমলার রসে প্রচুর ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।আমিষবাচ্চার বেড়ে ওঠার সহায়ক অতি প্রয়োজনীয় এ উপাদানটি গ’র্ভধারণ অবস্থায় বিশেষ করে গ’র্ভের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে বাচ্চার সঠিক বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে অত্যাবশকীয়। প্রতিদিন প্রায় ৭১ গ্রাম প্রয়োজন। আর পাবেন লাল মাংস, পোল্ট্রি, মাছ, ডিম, দু’ধ ও দুগ্ধজাত খাবার ইত্যাদি প্রানিজ খাবারে এবং শিম, মটরশুঁটি, উদ্ভিজ মাখন ইত্যাদিতেআয়রন বা লৌহ – র’ক্তশুন্যতা রোধ করের’ক্তের একটি গুরুত্বপূর্ন অংশ লোহিত র’ক্ত কনিকার হিমোগ্লোবি্ন। এটি একধরনের প্রোটিন যা অক্সিজেন বহন করে কোষে কোষে পৌঁছে দেয়। এটি তৈরীর অপরিহার্য উপাদান আয়রন। গ’র্ভধারণ অবস্থায় ক্রমবর্ধমান চা’হিদার কারনে র’ক্তের পরিমান বাড়ে। বাচ্চার পুষ্টির সরবরাহের সম্পূর্ন চা’হিদা পূরন হয় মায়ের র’ক্তের মাধ্যমে। কাজেই ওই সময়ে আয়রনের চা’হিদা প্রায় দ্বিগুন বেড়ে যায়। প্রয়োজনীয় আয়রন না পেলে ক্লান্তি-অবসাদ বেড়ে যায়, ইনফেকশনের ঝুঁ’কি বেড়ে যায়। অনেক ক্ষেত্রে অকাল প্রসব, বাচ্চার কম ওজন, এমনকি আরো কোন জটিলতা দেখা দিতে পারে। কতটুকু খাবেন – প্রতিদিন প্রায় ২৭ মিলিগ্রাম। কোথায় পাবেন – চর্বিবিহিন লাল মাংস, পোল্ট্রি, মাছ ইত্যাদি আয়রনের ভালো উৎস। অন্যান্যের মধ্যে আছে দানাদার খাদ্য, বাদাম এবং শুকনো ফল। আর জরুরী প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ মতে আয়রন সাপ্লিমেন্ট গ্রহন করা যেতে পারে।পানিমায়ের দে’হ থেকে প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি বহন করে বাচ্চার দে’হে পৌঁছে দেয় পানি। পানি কোষ্ঠকাঠিন্য, র’ক্তপড়া, অতিরিক্ত ফুলে যাওয়া, মুত্রনালী বা মুত্রথলির সংক্রমন ইত্যাদি রোধে পানি অনন্য ও অপরিহার্য।কতটুকু পান করবেন – বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞগন গ’র্ভবতি মায়ের জন্য প্রতিদিন ১০ কাপ বা প্রায় ২.৩ লিটার তরল পানের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এর মধ্যে আছে পানি, ফলের রস, কফি, চা, কোমল পানীয় ইত্যাদি। তবে মনে রাখতে হবে কিছু পানীয়তে বেশি পরিমানে চিনি থাকতে পারে যা মুটিয়ে যাবার

প্রবনতাকে বাড়িয়ে দেয়। আবার অতিরিক্ত ক্যাফেইন বাচ্চার বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে ক্ষ’তির কারন হতে পারে। তাই কফি-চা ইত্যাদি ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় ২০০ গ্রামের বেশি পান করা উচিত নয়।তেল, চর্বি, মিষ্টি – তেল, চর্বি, মিষ্টির কোন নির্দিষ্ট পরিমান নেই তবে চা’হিদামত খেতে হবে যদি ওজন বাড়ানোর লক্ষ্য না থাকে। স্বাভাবিকভাবে এমন খাবার খেতে হবে যাতে তেল, চর্বি, মিষ্টি কম পরিমানে থাকে। জেনে নিন গ’র্ভধারনের খুঁটিনাটি – পর্ব ৪ গ’র্ভধারণ অবস্থায় ওজন বৃ’দ্ধিঃ কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত আপনি চান কিংবা না চান গ’র্ভাবস্থায় ওজন বৃ’দ্ধি প্রত্যাশিত। আপনার বাচ্চার শা’রীরিক বৃ’দ্ধি-উন্নতি নির্ভর করে এই ওজন বৃ’দ্ধির উপর। দুইজনের জন্য খাওয়া মানে এই নয় যে আপনাকে যা খুশি, যত খুশি, যতবার ই’চ্ছা খেতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত জীবন-যাপন আর খাবারের মাধ্যমে ওজন বৃ’দ্ধিকে নিয়ন্ত্রন করতে হবে যাতে বাচ্চার স্বাস্থ্য ভাল থাকে আর আপনিও প্রসব পরবর্তি অল্প সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত ওজন ছেঁটে ফেলতে পারেন। ওজন বৃ’দ্ধির গাইডলাইন গ’র্ভধারণ অবস্থায় ওজন বৃ’দ্ধির ক্ষেত্রে একই সাইজ, একই পরিমান সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। আপনার জন্য কতটুকু ওজন বাড়া দরকার তা’ নির্ভর করে বিভিন্ন ফ্যাক্টরের ও’পর যেমন গ’র্ভপূর্ব ওজন, Body Mass Index (BMI) এর উপর। সেই সাথে আপনার ও আপনার বাচ্চার স্বাস্থ্যও আপনার ওজন বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এগুলো বিবেচনা করে আপনার জন্য কতটুকু ওজন বৃ’দ্ধি প্রয়োজন তা বলে দিবে আপনার ডাক্তার। তবে এখানে একটি সাধারন গাইডলাইন দেয়া হলঃ গ’র্ভপূর্ব ওজন অনুমোদিত ওজন বৃ’দ্ধি কম ওজন (বিএমআই ১৮.৫ এর নীচে) ২৮-৪০ পাউন্ড (প্রায় ১৩-১৮ কেজি) স্বাভাবিক (বিএমআই ১৮.৫ থেকে ২৪.৯) ২৫-৩৫ পাউন্ড (প্রায় ১১-১৬ কেজি)বেশি ওজন(বিএমআই ২৫ থেকে ২৯.৯) ১৫-২৫ পাউন্ড (প্রায় ৭-১১ কেজি) স্থুলকায় (বিএমআই ৩০ এর উপর) ১১-২০ পাউন্ড (প্রায় ৫-৯ কেজি) যদি আপনি জমজ বা একাধিক বাচ্চা গ’র্ভধারন করেন সেক্ষেত্রেঃ গ’র্ভপূর্ব ওজনঅনুমোদিত ওজন বৃ’দ্ধিস্বাভাবিক (বিএমআই ১৮.৫ থেকে ২৪.৯)৩৭-৫৪ পাউন্ড (প্রায় ১৭-২৫ কেজি)বেশি ওজন(বিএমআই ২৫ থেকে ২৯.৯) ৩১-৫০ পাউন্ড (প্রায় ১৪-২৩ কেজি)স্থুলকায় (বিএমআই ৩০ এর উপর)২৫-৪২ পাউন্ড (প্রায় ১১-১৯ কেজি)যখন আপনি স্থুলকায়গ’র্ভপূর্ব অবস্থায় যদি আপনি স্থুলকায় কিংবা বেশি ওজনের হয়ে থাকেন তবে গ’র্ভাবস্থায় নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে যার মধ্যে আছে গ্যাস্টেশনাল ডায়াবেটিস আর উচ্চ র’ক্তচা’প। যদিও গবেষকরা গ’র্ভধারণ অবস্থায় কিছু ওজন বৃ’দ্ধি স্বাভাবিক এবং প্রয়োজনীয় বলে মত দেন তা হোন আপনি বেশি

ওজনের কিংবা স্থুলকায়। তবে নিরাপদ ওজন বৃ’দ্ধির নিয়ন্ত্রনে আপনাকে অবশ্যই গাইডলাইন মেনে চলতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে আপনার ডাক্তারের পরামর্শই চূড়ান্ত। কারন আপনার যদি অতিরিক্ত ওজন বৃ’দ্ধি ঘটে আর সেটা যদি প্রসব পরবর্তি সময়ে কমে না যায়, তাহলে সেটা আপনার জন্য দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁ’কি হয়ে দেখা দিতে পারে। আবার গ’র্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ওজন বাচ্চার স্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁ’কিপূর্ন হতে পারে, ডেলিভারি হতে সমস্যা হতে পারে।যারা কম ওজন সম্পন্ন তাদের ক্ষেত্রে গ’র্ভাবস্থায় অতি অবশ্যই গ্রহনযোগ্য মাত্রা পর্যন্ত ওজন বাড়াতে হবে। প্রয়োজনীয় ওজন বৃ’দ্ধি না হলে আপনার বাচ্চাও কম ওজনের হতে পারে, নির্ধারিত সময়ের আগেই জ’ন্ম নিতে পারে।গ’র্ভধারণ অবস্থায় ওজন বৃ’দ্ধি কোথায় যায়গাইডলাইন অনুযায়ী যে ওজন বৃ’দ্ধির কথা বলা হয়েছে তার মধ্যে বাচ্চার ওজন ৭ থেকে ৮ পাউন্ড বা ৩ থেকে ৩.৫ কেজি বাদ দিলে বাকিটা কোথায় যায়।বিশ্লেষকরা বলছেনঃবাচ্চাঃ ৭-৮ পাউন্ড বা প্রায় ৩-৩.৫ কেজিস্ত’ন বৃ’দ্ধিঃ ২ পাউন্ড বা প্রায় ১ কেজিজরায়ুর বৃ’দ্ধিঃ ২ পাউন্ড বা প্রায় ১ কেজিপ্লাসেন্টাঃ ১.৫ পাউন্ড বা প্রায় ০.৭ কেজিএমনিওটিক ফ্লুইডঃ ২ পাউন্ড বা প্রায় ১ কেজির’ক্ত বৃ’দ্ধিঃ ৩-৪ পাউন্ড বা প্রায় ১.৪-১.৮ কেজিঅন্যান্য ফ্লুইড বৃ’দ্ধিঃ ৩-৪ পাউন্ড বা প্রায় ১.৪-১.৮ কেজিচর্বি জমেঃ ৬-৮ পাউন্ড বা প্রায় ২.৭-৩.৬ কেজিকোন পর্যায়ে কতটুকুগ’র্ভের প্রথম তিনমাস বেশিরভাগ ম’হিলাদের বেশি ওজন বৃ’দ্ধির প্রয়োজন পড়ে না। আপনি যদি ভাল স্বাস্থ্যের অধিকারী হন তবে প্রথম কয়েক মাস কয়েক পাউন্ড বা ২ কেজি’র কম ওজন বাড়লেই যথেষ্ট। আপনাকে স্বাভাবিক খাবার থেকে ১৫০-২০০ ক্যালরী সম্পন্ন খাবার বেশি খেতে হবে। তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ধারাবাহিক ওজন বৃ’দ্ধি ঘটাতে হবে। তার মানে এই পর্যায়ে প্রসবের পূর্ব পর্যন্ত প্রতি মাসে কমপক্ষে ৩-৪ পাউন্ড বা প্রায় ১.৪-১.৮ কেজি করে বাড়াতে হবে। অতিরিক্ত প্রায় ৩০০ ক্যালরী সম্পন্ন খাবার প্রয়োজন কাংখিত ওজন বৃ’দ্ধির জন্য।আপনিও আমাদের পেজে প্রশ্ন করুন উত্তর জানুন

Check Also

বাস’র রা’তে বি’ড়াল মা’রা বলতে কি বুঝা’য়..!

চলুন, আগে বিড়াল মা’রার কাহিনীটা শুনা যাক। একদা বাগদাদের বাদশাহ এর ছিল দুইজন কন্যা। এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *