Home / বাংলা হেল্‌থ / ১৫ টাকার ফল খেলে আপনাকে মি’লনের আগে আর উ’ত্তেজক ট্যাবলেট খেতে হবে না

১৫ টাকার ফল খেলে আপনাকে মি’লনের আগে আর উ’ত্তেজক ট্যাবলেট খেতে হবে না

মধু শুধুমাত্র একটি উপকারী খাদ্য নয়, পন্য ও ঔষধ বটে। জ’ন্মের পর বাচ্চাদেরকে নানা দাদীরা মখে মধু দেয় নাই এমন লোক খুঁজে পাওয়া ক’ঠিন বা নেই বললেই

চলে। আদিমকাল বা প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্যহিসেবে, মিষ্টি হিসেবে, এবং চিকিৎ’সার

উপাদান হিসাবে মধুর ব্যবহার করে আ’সছে। আমাদের শ’রীরের সু’স্থতায় মধুর উপকারিতা অতুলনীয়। এবার আসুন জে’নে নাওয়া যাক মধু কি সাধারণভাবে বলতে গেলে মধু হচ্ছে

একটি তরল মিষ্টি জাতীয় আঠালো পদার্থ, যা সাধারণত মৌমাছিরা ফুল থেকে পুষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ করে তাদের মৌচাকে জমা করে রাখে। পরবর্তীতে জমাকৃত এই

পুষ্পরস প্রাকৃতিক নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মধুতে রূপান্তর হয়ে যায় এবং কোষ বদ্ধ অবস্থায় মৌমাছিরা মৌচাকে সংরক্ষণ করে। বিশদ

ভাবে ব্যাখ্যা ক’রতে গেলে বলতে হবে বিশ্ব স্বা’স্থ্য সংস্থা (WHO) এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ত’থ্য মতে

মধু হচ্ছে এমন একটি অগাজানোশীল মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা সাধারানত মৌমাছিরা ফুলের নেকটার অথবা জীবন্ত গাছপালার নির্গত রস থেকে সংগ্রহ করে মধুতে রূপান্তর করে এবং আরও সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে। এটাই মধু।

খাদ্য হিসাবে মধুঃ প্রাচীনকাল থেকেই মধু ঔষধ এবং খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আ’সছে। বিশেষ করে চাইনিজরা প্রতিদিন সকালে তারা দু’ধ ও মধু মিশিয়ে

সেটা রুটি দিয়ে খেতো। নিয়মিত মধু খাওয়া চাইনিজদের একটি অভ্যাসে প’রিণত হয়েছিলো। সুধু চাইনিজরা না, আমাদের দেশেও কেউ কেউ হালকা গরম পানিতে মধু দিয়ে

অথবা চায়ের সাথে মধু দিয়ে খায়। পরিসংখ্যান এর দিকে দেখলে দেখা যাবে যে, বিশ্বের প্রায় বেশিরভাগ দেশেই, বিশেষ করে এশিয়ান দেশ গুলোতে মধু খাওয়ার প্রচলণ

অনেক বেশি। আপনি যদি সকাল বেলা এক চামচ মধু খান তাহলে দিনের শুরুটাকে মধুর মত মিষ্টি করে দিবে। শুধু তাই নয়, মধুর আছে অবিশ্বা’স্য কিছু স্বা’স্থ্য উপকারিতা।

সুনতে খুব অ’বাক লাগলেও এটা সত্য যে, মধুতে প্রায় ৪৫টিও বেশি খাদ্য উপাদান থাকে। সাধারণত পুষ্টি উপাদান হিসাবে ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ

গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ৫-১২ শতাংশ মন্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ থাকে। সুধু তাই নয় আরো থাকে ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ, ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড এবং ১১ ভাগ এনকাইম। এতে সাধারণত কোন চর্বি ও প্রোটিন নেই। প্রতি ১০০

গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ গ্রাম ক্যালরি। যেসব ফুল থেকে মধুঃ
খাটি মধুর কিছু বৈশিষ্ট্যঃমধুর অনেক কিছু বৈশিষ্ট্য আসে। তবে খাঁটি মধুর কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য আসে তা হল-১। খাঁটি মধুতে কখনো কোন কটু গন্ধ থাকে না।

২। সব থেকে মজার কথা হল মানুষের স্বা’স্থ্যের জন্য ক্ষ’তিকারক কোনো বি’ষাক্ত উপাদান প্রাকৃতিক গাছে থাকলেও তার কোন প্র’ভাব মধুতে থাকে না। ৩। মধু

সংরক্ষণে কোনো প্রকার পৃজারভেটিভ জাতীয় উপাদান ব্যবহৃত হয় না। কারণ মধু নিজেই পৃজারভেটিভ গুণাগুণ সম্পন্ন পুষ্টিতে ভরপুর একটি খাদ্য।

৪। খাঁটি মধু উৎপাদন, নিষ্কাশন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাত ও বোতলজাতকরণের সময় অন্য কোনো প্রকার পদার্থের সংমি’শ্রণ প্রয়োজন হয় না। ৫। আপনি খাঁটি মধু

পরীক্ষা ক’রতে চাইলে একটা কাজ ক’রতে পারেন।আপনি খাটি মধু পানির গ্লাসে ড্রপ আ’কারে ছে’ড়ে দিন খাঁটি মধু হবে ড্রপ অবস্থায়ই গ্লাসের নিচে চলে যাবে।

Check Also

আতা ফলের ১০ গুণ জেনে রাখুন

আতা ফল আমরা সবাই চিনি। অনেকের প্রিয় ফলের মধ্যে হয়তো আতাও আছে। এটি শরীফা, সিতাফল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *