Home / বাংলা টিপস / খালি পেটে কিশমিচের পানি খাওয়ার উপকারীতা

খালি পেটে কিশমিচের পানি খাওয়ার উপকারীতা

খালি পেটে ৪ দিন কিশমিশের পানি খান, তারপর দেখু’ন চমক।
কিশমিশের পানি খেলে লিভারে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। যার দরুন শ’রীরের অভ্যন্তরে দ্রু’ত র’ক্ত পরিশোধ’ন হতে থাকে। আপনার লিভার বা যকৃত পরিষ্কার করতেও কিশমিশের জুরি নেই? হ্যাঁ, নিয়মিত কিশমিশের পানি লিভার সাফ হয়।

অন্তত টানা চার দিন কিশমিশের পানি পান করলে, পেট একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে। পেটের গ’ন্ডগোল থাকবে না। সেইস’ঙ্গে ভরপুর এনার্জি পাবেন।

কিশমিশ হা’র্টকে ভালো রাখে। সেইস’ঙ্গে শ’রীরের পক্ষে ক্ষ’তিকারক যে কোলেস্টেরল রয়েছে, তা দূর করে। কিশমিশে রয়েছে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল। কিশমিশ না খেয়ে শুধু কিশমিশের পানি খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শ’রীরে ঢোকে।
পানিতে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে।

র’ক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালোভাবে কাজ করতে হবে। তাই লিভার ও কিডনির সমস্যা হলে, ক্ষ’তিকারক পদার্থ শ’রীরে জমতে শুরু করে আমাদের অ’সুস্থ করে তোলে।
তাই লিভার ও কিডনিকে সবসময় চাঙ্গা রাখতে হবে। কিশমিশ ভেজানো পানি সেই কাজটাই ভালোভাবে করে। যার দরুণ হজমশ’ক্তি বাড়ে।

যেভাবে কিশমিশের পানি তৈরি করবেনঃ
২ কাপ পানি (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। কী ধরনের কিশমিশ কিনছেন, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব চকচক করছে, এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। চেষ্টা করুন গাঢ় রঙের কিশমিশ কিনতে।

তাও এমন কিশমিশ নিতে হবে, যা খুব শ’ক্তও না আবার একদম নরম তুলতুলেও না। কিশমিশগুলোকে ভালো করে কয়েক বার ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে দু কাপ পানি দিয়ে রাতভর কিশমিশ ভিজিয়ে রাখু’ন।

সকালে কিশমিশ ছেকে নিয়ে, সেই পানিটা হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

Check Also

বাস’র রা’তে বি’ড়াল মা’রা বলতে কি বুঝা’য়..!

চলুন, আগে বিড়াল মা’রার কাহিনীটা শুনা যাক। একদা বাগদাদের বাদশাহ এর ছিল দুইজন কন্যা। এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *